দু:সময়ে নীরব কেন প্রতিবাদ!
সুসময় নয় বন্ধু; এ বড়ো দু:সময়,-
এখানে অবিশ্বাস; ভাই বিশ্বাসের বুকে ছুরি মারে।
সারা দেশে এমন অস্থিরতা দেখিনি আগে,
প্রতিদিনই নিত্য ভোজ্য জিনিসের দাম বাড়ে
গরীব মানুষ ও ফুটপাথের শিশুরা মরে অনাহারে ।
দুধের শিশু দিনে-রাতে বেগার খাটে চায়ের দোকানে;
বন্ধ কারখানার শ্রমিক আত্মহত্যা করে চা-বাগানে,
রাষ্ট্রসঙ্ঘের মতে, মানবতার মৃত্যু; গণতন্ত্র ধুঁকছে,
গণমাধ্যম সোচ্চার; তবে কেনো এমন ঘটনা দিন দিন বাড়ছে?
প্রশাসন বলছে- পুলিশ বিষয়টা দেখছে;
সরকার বলছে- বিষয়টা বিচারাধীন, তদন্ত চলছে.
আপনি সবই দেখছেন, সবই শুনছেন, সবই বুঝছেন
তবে কেনো চোটছেন! কেনো প্রশ্ন করছেন?
আপনি জানেন না কী- অপ্রিয় সত্য বলতে নি.
প্রতিবাদ করতে নি; প্রতিবাদ করলে ভারি
পুলিশ, প্রশাসন, সরকার- সবই তোমায় দেবে ফাঁসি।
ইস্কুলের ক্লাসে ছোট্ট ছেলেটি
পরীক্ষ্যায় প্রথম হতে পারেনি ,
বাড়িতে পেলো আপন-জনের-
গঞ্জনা আর বাপ্-মায়ের বকুনি।
ব্যাথাতুর মন ত্যাজিল আপনজন
চুপিসারে ছাড়ে গেহ (গৃহ)
পরের দিন সকালে রেললাইনের ধারে
পাওয়া গেলো ছোট্ট শিশুর ক্ষত বিক্ষত দেহ।
পরীক্ষ্যায় প্রথম হতে পারেনি ,
বাড়িতে পেলো আপন-জনের-
গঞ্জনা আর বাপ্-মায়ের বকুনি।
ব্যাথাতুর মন ত্যাজিল আপনজন
চুপিসারে ছাড়ে গেহ (গৃহ)
পরের দিন সকালে রেললাইনের ধারে
পাওয়া গেলো ছোট্ট শিশুর ক্ষত বিক্ষত দেহ।
গুলির শব্দে ঘুম ভাঙে-
রোজ কেউ না কেউ মরে;
ছেলের রক্তে মায়ের আঁচল ভেজে।
রাস্তায় যখন আপন মনে খেলে ছেলে-
হঠাৎ গুলি এসে লাগে বুকে;
চিৎকার কোরে লুটিয়ে পড়ে মায়ের কোলে,
কে মারলো? কেন মারলো? ....
কি তার অপরাধ!! ... কে দেবে তার উত্তর ?
রোজ কেউ না কেউ মরে;
ছেলের রক্তে মায়ের আঁচল ভেজে।
রাস্তায় যখন আপন মনে খেলে ছেলে-
হঠাৎ গুলি এসে লাগে বুকে;
চিৎকার কোরে লুটিয়ে পড়ে মায়ের কোলে,
কে মারলো? কেন মারলো? ....
কি তার অপরাধ!! ... কে দেবে তার উত্তর ?
গণমাধ্যম সোচ্চার; তবে কেনো এমন ঘটনা দিন দিন বাড়ছে?
প্রশাসন বলছে- পুলিশ বিষয়টা দেখছে;
সরকার বলছে- বিষয়টা বিচারাধীন, তদন্ত চলছে.
আপনি সবই দেখছেন, সবই শুনছেন, সবই বুঝছেন
তবে কেনো চোটছেন! কেনো প্রশ্ন করছেন?
প্রশ্ন করতে হয় করূন
আপনার ঘরে বসে যত ইচ্ছা হাত পা ছুড়ুন
আর আয়নার সামনে নিজেকে দেখুন.
আর কোথায় আপনি বাস করছেন সেটা ভাবুন.
কিন্তু প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছেন তো মরেছেন
কেননা অপ্রিয় সত্য বলতে নি,
প্রতিবাদ করতে নেই প্রতিবাদ করলে ভারি
পুলিশ, প্রশাসন, সরকার- সবই তোমায় দেবে ফাঁসি.
মেয়েটি স্কুল
থেকে ফিরছিল
প্রতিদিনের
মত বেশ চলছিল
হঠাৎ যেন তাকে
জোর কোরে তুলে নিয়ে গেল
পরের দিন ফিরতও
দিল; ছিন্ন-ভিন্ন বসনে নগ্ন দেহ
খবরের শিরোনামে
ষোড়শীর গণধর্ষণ -
মুখরোচক আলোচনায়
মজা পায় কিছু জনগণ।
ভাবুন একবার;
সে তো তোমার ঘরের মেয়ে -
তবে কেন ভয়ঙ্কর
পরিণতি! কার অপরাধে?
মেয়েটির? আমাদের?
... না সমাজের?
গণমাধ্যম সোচ্চার; কেনো এমন ঘটনা দিন দিন বাড়ছে?
প্রশাসন বলছে- পুলিশ বিষয়টা দেখছে;
সরকার বলছে- বিষয়টা বিচারাধীন, তদন্ত চলছে.
আপনি সবই দেখছেন, সবই শুনছেন, সবই বুঝছেন
তবে কেনো চোটছেন! কেনো বেকার বকচ্ছেন?
কেননা অপ্রিয় সত্য বলতে নি,
প্রতিবাদ করতে নি; প্রতিবাদ করলে ভারি-
পুলিশ, প্রশাসন, সরকার- সবই তোমায় দেবে ফাঁসি.
আপনি রাত দিন সুখ-শান্তির জন্য ছুটছেন
তবু আপনার চারপাশে শুধু অশান্তিই দেখছেন
ঘরে নিত্য শ্বাশুড়ি –বউের ঘ্যন ঘ্যানানী
পাড়া-পড়শির ফিস-ফিস কানাকানি;
TVতে মেগা সেরিয়ালের দাপাদপি,হানা-হানি-
দেখে গৃহিনীদের চোখের জলের অন্ত নেই
কিন্তু আপনার জন্য ভাবার কোনো সময় নেই
অফিসে বসের নিত্য বোকুনি ও দাঁত-খিঁচানি
সঠিক সময়ে মাইনের কথা বলেছেন তো মড়েছেন
সব জেনে শুনেও আপনি মুখ বুজে সহ্য করছেন
কারণ আপনার অনুভূতির চামড়া
গন্ডরের থেকেও শক্ত সহনশীল
আপনি শিক্ষিত ভদ্রলোক, মার্জিত প্রগতিশীল
রাগে আপনার গা জ্বলে যাবে, প্রতিবাদের ভাষা
আপনার বুক ফেটে বেরোতে চাইবে,
তবু আপনার কিছু করার নেই
কেননা অপ্রিয় সত্য বলতে নেই,
প্রতিবাদ করতে নি, প্রতিবাদ করলে ভারি-
পাড়া-পড়শি, সমাজ, সংসার তোমায় দেবে ছাড়ি.
রাস্তাঘাটে নিয়ম নীতির বালাই নেই,
প্রকাশ্যে ট্রাফিক পুলিশের ঘুষ নিতে লজ্জা নেই,
চুরি-ছিনতাই, হানা-হানির কোনো বিরাম নেই;
তোলাবাজি, গুন্ডাবাজি, দলবাজি ও রাজনইতিক
ক্ষুনো-খুনীর কোনো সীমা নেই।
আপনি ভাবছেন অবসর-কালীন সঞ্চয় দিয়ে
একটা বাড়ি করবেন ও মেয়ের বিয়ে দেবেন-
কিন্তু সে গুড়ে বালি, তার উপায় নেই;
সিন্ডিকেট নামক দৈত্যের হাত থেকে পালাবার জো নেই-
আপনি ভাবছেন নালিশ করবেন; কিন্তু কোথায়?
একরাশ আশা নিয়ে আপনি গেলেন থানায়
কিন্তু পুলিশ ব্যটা অন্ধ
ন্যায় বিচারের দরজা বন্ধ।
বরবাবু গেছে বেজায় চোটে
অভিযোগ পত্র দিলো চ্ছিঁড়ে;
নালিশ নিলো না মোটে।
রাগ-অপমান ও হতাশায় আপনার গা যাচ্ছে জ্বলে ,
প্রতিবাদের ভাষা আপনার বুকের ভিতর
উথাল-পাতাল করছে , বিবেকের যন্ত্রণা
আপনাকে চাবুক মারছে, --
আপনি প্রতিবাদ করতেই পারেন, করূন
কিন্তু নিজের মনে মনে, ঘরের নির্জন কোণে, -
প্রকাশ্যে কখনই নয়. কেননা
অপ্রিয় সত্য বলতে নি.
প্রতিবাদ করতে নি; প্রতিবাদ করলে ভারি
পুলিশ, প্রশাসন, সরকার- সবই তোমায় দেবে ফাঁসি
এখনকার স্কুল-কলেজে পড়া-শুনার থেকে
দলতন্ত্রের ঝন্ডাবজি বেশি,
লাল-হলুদ সবুজ নানা বর্ণের দড়ি টানাটানি
আপনি বলছেন- বিদ্যালয় মানে শুধু লেখাপড়া হবে,
ছাত্র রাজনীতির নামে ক্ষুনো-খুনি হচ্ছে কেন তবে?
আর বেসরকারী স্বাস্থ ; সে তো বলা বাহুল্য
আপনার বুড়ো বাপ ভর্তি নার্সিংহোমে;
আপনার গলা কাটার জন্য বিল বাড়ছে বেনামে-
নাকে মুখে পাইপ, চলছে ভেনটিলেশন,
ব্যটা মরেছে না বেঁচে আছে- ঘোর কনফিউশণ.
আপনি হতাশ, কিন্তু প্রতিবাদ- নইব নইব চ:
বলি আর প্রতিবাদ কেন; বয়স তো অনেক হল
মেঘে মেঘে যে বেলা অনেক বয়ে গেল
একটা কথা জেনে রাখুন সবে;
কেউ শান্তিতে নেই এ ভবে; কেবল দুজন বাদে
এক যে আছে মায়ের পেটে, আনগত; আর
যে ব্যটা গেছে টেঁসে ; হয়েছে পরোলোকগত।
কেউ শান্তিতে নেই, তবে আর প্রতিবাদ কী!
আর তো মাত্র কটা দিন; হেসে খেলে কাটিয়ে দিন।
তবে আর কী প্রয়োজন- এ অপ্রিয় সত্য ভাষন
চোখ বন্ধ কোরে ঘাপ্টি মেরে বসে থাকুন
আর আল্লা, যীশু ও কৃষ্ণ নাম ভোজুন;
বলুন সবে হোরিবোল হোরিবোল; কারণ
শেষের দিনে শুধু সঙ্গে যাবে....
কীর্তনিয়া আর কাঁসর, ঘন্টা, খোল।
...... বেপরোয়া রাজীব
জাতের নাম বজ্জাতি
আমি কন্ডোম না ভন্ডোম কবি
তোমরা তা জানো ভালমতো
পরিচয় কিবা মোর তা জানিনাতো-
নানাজোনে ডাকে নানা নামে-
অজাত, বিজাত, কুজাত কিংবা সৃজাত
কেউবা বলে বেশ্য কিংবা কুমারী গর্ভ-জাত
বাপ ছিলো হয়তো কেউ রাম রহীম যীশু কিংবা পাগল
তাই যখন তখন যা-খুশি; লিখি ইচ্ছে মতো-
হিন্দু হলে গো-মাংস; ও মুসলিম হলে শুয়োর-মাংস খাব
কারণ জন্মের যে আমার ঠিক নেই; বাপ যে মোর পাগল
মানুষ না অমানুষ, ধর্মও-কর্ম কিছুই জানিনাতো
সবে কয় টাক-টিকিধারী বেশ্যা-দালাল ও ।
নিত্য মাদ্রাসা মসজিদে যাই; পড়ি কলেমা নামাজ
নিন্দুকেরা বলে ধর্মের নামে সেখানে কোলুসিত হয় সমাজ
উপাসণস্থল নাকি সন্ত্রাসের আঁতুরঘর; কচি-কাঁচার ব্রেনওযাশ
চলে জোর জল্পনা; শিক্ষা দীক্ষার নামে মারণ তথ্য-তালাশ।
কবি না ভবি তা জানি না, প্রতিবাদ আমি করবই-
যদি হিন্দুর হাতে মুসলিম মরে, আর চুপ থাকবো
যদি মুসলমানের হাতে হিন্দু মরে; তাই তো
ধূলাগরে মুসলমানের হাতে যখন হিন্দু মরে-
লেখনী মোর থামে; -কারণ আমি জানিনা তো;
আমি যে অজাত, বেজাত, কুজাত কিংবা সৃজাত.
মোল্লা না আল্লা তা জানিনা তো;
শুধু জানি আমি তোমাদের লোক।
তিন তালাকের নামে যারা নারী শক্তিকে করে অসম্মান
ধর্মের নামে তারা কলঙ্ক; তারা কাফের কাজী বেইমান।
মুসলমানি মা-বোনেরা প্রতিবাদে হও একজোট
আত্ম-মর্যাদায় হও বলিয়ান, দাও গণ-ভোট।
তোমাদেরি গর্ভে জন্ম নেয় আল্লা, নবী- মহম্মদ;
আর কোবে জাগবে তোমরা; সামনে সমূহ বিপদ!
ভাঙ্গো,ভাঙ্গো সবে এ অন্যায় ধর্মের বাঁধন;
ভেঙ্গে ফেলো তোমাদের মিয়াঁদের বর্বর অনুশাসন;
বাঁচো কেবল মানুষের জন্য; করো সত্য অনুধাবন।
........ beparoya
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন