বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১২

নতুন শতকের ভাবনা। ... The Thought of New Millanium







                                                          Welcome to Literate Democracy System


সুস্বাগতম সুসংহত গণতান্ত্রিক শাষন ব্যবস্থায় 

বর্তমান ভারতে অশিক্ষিতের  শাসনব্যবস্থা চলছে, যেখানে সমস্ত রাজনৈতিক দলের ৯০% নেতা নেত্রীদের  শিক্ষাগত মান স্নাতক (Graduate) এর নিচে, নেতা-নেত্রী মন্ত্রীদের মধ্যে কেবলমাত্র % উচ্চ শিক্ষিত ম্যানেজমেন্ট পাশ; বাকি সমস্ত রাজ্যস্তরের সদস্য মাঝারি-মাপের নেতাদের মধ্যে ২৫% মাধ্যমিক দ্বাদশ ক্লাস সমতুল। বাকি সব অশিক্ষিত। আবার নেতা-নেত্রী মন্ত্রীদের মধ্যে ৫৭% আইনের চোখে অপরাধী (ক্ষুণ, ধর্ষণ, রাহাজানী প্রতারণা কার্যে প্রত্যক্ষ ভাবে লিপ্ত)

তাহলে বুঝুন ...... দেশের সদর্থক অগ্রগতির চিন্তা-ভাবনাটা কথা থেকে আসবে? .... এই সব ভয়ঙ্কর অনুর্বর মস্তিকের লোকগুলি দেশের শাসন বব্যবস্থায় চালকের আসনে বসলে দেশটা এগোবে না পিছবে? দেশটাতো চোর, চিটিংবাজ, ধর্ষক ক্ষুনিতে ভোরে গেছে। বর্তমানে শিক্ষা ও স্বাস্থে ভয়ঙ্কর বেসাতি চলছে ; যার পরিসেবা আমজনতার নাগালের বাইরে। .........

আসুন, এমন এক শাষন ব্যবস্থার প্রবর্তন করি যেখানে কোনো লাল, সবুজ, হলুদ প্রভৃতি বর্ণের ডান / বাম বলে কোনো দল বা পার্টি থাকবেনা। যথোপযুক্ত যোগ্যতার মেধাবী ব্যক্তিরাই কেবল যোগ্যতা-নির্ণায়ক পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে জনস্বার্থে কাজ করে দেশকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। ................. ক্রমশ দেখতে থাকুন .... ...... বেপরোয়া



***********************************              ০০             *********************************

নতুন শতকের ভাবনা। .......

' এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য কোরে যাবো আমি;
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃড় অঙ্গীকার।' .....

 এস এ বিশ্বকে দুর্নীতি ও জঞ্জাল মূক্ত করি।
..... (বেপরোয়া ) রাজীব মণ্ডল।


***********************************              ০০             *********************************



  নতুন শতকের ভাবনা
The Thought of New Era (The best article of the Millennium) 

ভাবনার জন্য ভাবনা হয়। আর তার জন্যই যত নতুন ভাবনা, নতুন নতুন উদ্ভাবনা; নিত্য নতুন সৃষ্টির উন্মাদনা। তাই ভাবতে হয়। ..... ভাবতে গেলে সময় লাগে, আর সময়ের স্বল্পতা আমাদের ভাবায় - কেনোনা সময় বড় অল্প। কিন্তু সময়ের কোনো সময় নেই; নেই কোনো আরাম অবসর; নেই কোনো পুনরাবৃত্তি, তার নেই কোনো ছেদ- শুধুই সামনে প্রবাহমান। আমাদের সংক্ষিপ্ত সীমাবদ্ধ জীবনে সময়ের স্বল্পতা বড্ড বেশি প্রকট। তাই তাকে মূলধন করে উন্নয়নের নিশানায় লক্ষ স্থির রেখে অবিরাম এগিয়ে চলার থাকে মানবিক প্রতিশ্রুতি। 
জগতের যা কিছু সৃষ্টি, জাগতিক যা কিছু উন্নতি সবই 'কথা' দৌলতে। কথার আড়ালে সব কিছু ঢেকে যায়, আবার কথায় সবই প্রকাশমান। কথায় যত বিপত্তি আবার কথার মাধ্যমে যত উন্নতি। এই কথা' যত সমস্যা কথায় সমাধান। বলা বাহুল্য, এই 'কথা' হলো মানব সভ্যতার সমস্ত ভাষার একমাত্র মৌলিক ক্ষুদ্রতম উপাদান। 'কথা' বা 'শব্দ' হলো জীবজগতের ভাব বিনিময়ের একমাত্র মাধ্যম। সুতরাং কথার ছলে প্রবন্ধ যদি প্রকৃষ্ট রূপে বন্ধন না হয়েও সংলাপধর্মী  হয়ে যায় তাহলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। 
কথার জন্য ভাবনা আর ভাবনার জন্য মাথাব্যথা। আমাদের মাথার ব্যথা থাক না থাক ; 'মাথাব্যথা' অবশ্যই আছে- ছিল এবং থাকবে। যার নিট ফল - বিশ্ব-গতির সমান তালে আমাদের দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলা সম্মুখপানে .... দিন থেকে দিনান্তে; শতক থেকে সহস্রাব্দেযুগ থেকে যুগান্তে
 এই এগিয়ে যেতে যেতে আমরা এমন এক সময়ে (একুশ শতক) উপনীত হয়েছি যেখানে তথ্য-প্রযুক্তির কল্যানে সমগ্র বিশ্ব আজ আমাদের হাতের মুঠোয়; কল্পনাকে বাস্তবায়িত করে মানুষ পদার্পণ করেছে চাঁদে, গ্রহ-গ্রহান্তরে; দুরারোগ্য ব্যাধিকে পরাস্ত কোরে মৃত্যুকে প্রায় করেছে জয়। বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, শিল্পসংস্কৃতি সাহিত্যের সর্বস্তরে ঘটেছে  যুগান্তকারী বিপ্লব যা এক কথায় অভাবনীয় বিস্ময়কর বটে
তবু এই অবিস্মরণীয় যুগসন্ধিক্ষণের বিস্ময়কর অগ্রগতির পাদানিতে দাঁড়িয়ে যদি কেউ প্রশ্ন করে যে - এই নতুন শতকে তোমার ভাবনা কি? তখন সত্যিই ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন করে ভাবতেই হয়। একুশ শতকে প্রারম্ভে ভাবতে বসে সর্বাগ্রে যে ভাবনাটি মাথায় আসে তা হলো - বিদায়ী শতকের প্রান্তে দাঁড়িয়ে নতুন শতকের সূচনায় প্রথমেই আমাদের নির্ণয় করা দরকার যে - আমরা অগ্রগতির ঠিক কোন জায়গায় আছি, কতটা এগিয়েছি বা পিছিয়েছি - তার উপর ভিত্তি কোরে গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের ভাবনা কারণ অতীতকে বাদ দিয়ে কখনই ভবিষ্যত গড়া যায় না; কেনোনা অতীত হলো বর্তমানের পটভূমি; ভবিস্যতেরও ভিত্তিভূমি। অগ্রগতির লাভ ক্ষতির হিসাব কষে তবেই নতুন শতকের ভাবনায় ভাবিত হওয়া বাঞ্চনীয় নয় কি!
 এখন আমরা এমন এক সময়ে উপনীত যেখানে হাত বাড়ালে বন্ধু পাই; পা বাড়ালে রাস্তা পাই; ইচ্ছে করলে চাঁদে যাই; দু'চোখে  রঙিন  স্বপ্ন নিয়ে শুন্যধামে যত্র-তত্র ঘুরে বেড়াই, নামতে পারি পাতাল-পুরীর গহন অন্ধকারে কিংবা মহাসমুদ্রের অতল গহবরে।এখানে দেওয়াল টিপলে এল জ্বলে; কল টিপলে জল পড়ে; আবার লক্ষ-কোটি টাকা ব্যায়ে নতুন জীবের সন্ধানে মঙ্গল গ্রহে যাত্রা করে। সত্যি ভাবলে অবাক হতে হয় বিজ্ঞান প্রযুক্তির কি অবিস্মরণীয় অগ্রগতি!!

........ তবুও মানুষ এখনো কেনো ক্ষুধার জ্বালায় মরে? দেশে অর্থনীতির উদারীকরণ; বয়ন-শিল্পের বৈপ্লবিক উন্নয়ন সবুজ বিপ্লব হওয়া সত্তেও আজও কেনো মানুষের পরনে জোটে না কাপড় মাথা গোঁজার আশ্রয়? প্রতি নিয়ত ভিক্ষুক কেন জন্মায় প্রসুতি রাস্তায়  মারা যায়হাসপাতালে রোগীর বিনা চিকিত্সায় প্রাণপাত হয়; বিশ্বের কোটি কোটি শিশু অপুষ্টিতে ভোগে ফুটপাতে খোলা আকাশের নিচে নিদ্রাহীন রাত কাটায়; বেকারত্বের যাঁতাকলে বিশ্বের বৃহত্তম শক্তি কোটি কোটি শিক্ষিত যুবক নিষ্পেষিত হয় ...... কেন হয় 
এই 'কেন?' প্রশ্ন গুলি বর্তমান বিজ্ঞান প্রযুক্তির শতকে আমাদের ভাবনার কারণ নয় কি?.... সব কিসের জন্য? বিজ্ঞান প্রযুক্তির অগ্রগতি নাকি মানবিক মূল্যবোধের অবনতি!!
নতুন শতক সহস্রাব্দ নিয়ে ভাবনা হয় বই কি - আমার, আপনার, সবায়ের। একান্ত নিজস্ব। তা কখনই এক হবার নয়। কারণ ভাবনা বড় বিচিত্রধর্মী বহুমুখী। তবে ভাবতে তো কোনো দোষ নেই। একের ভাবনা অন্যের উপর চাপিয়ে দিয়েই তো যত বিপত্তি, মারামারি, কাটাকাটি। বিশ্বের সকল মানুষের ভাবনা যদি একই ভাবে একই পথে চালিত হত তাহলে সব মানুষ্ কবিসাহিত্যিক, বিজ্ঞানী বা শিল্পী অথবা চোর-ডাকাত হয়ে যেত; - - তা হয়না বোলেই বিশ্ব এত সুন্দর, বৈচিত্রময় রমনীয় বটে

বিদায়ী সহস্রাব্দের ভুলত্রুটিকে সংশোধন কোরে আমার নিজোস্ব ভাবনা দিয়ে যখন নতুন শতক-কে নিখুঁতভাবে তিলোত্তমা হিসাবে গড়ে তুলতে চাইছি, স্মৃতির সরণী বেয়ে পিছে ফিরে দেখি - বিদায়ী শতকের বৃদ্ধ আজও গোরুর মতো কাঁধে 'রে রিক্সা টানছে তথাকথিত বাবুদের নতুন শতকে নিয়ে যাবে বোলে; কিংবা তথাকথিত বাবুদের জুতা-পরিহিত পায়ে এক শ্রেনীর মানুষ আজও চোখের জলে পালিশ করে চলেছে- যা নতুন শতকে নতুন ভাবনার ক্ষেত্রে একটা বড় ক্ষত। এই ক্ষত না শুকালে সমাজের সার্বিক উন্নতি কখনই সম্ভব নয়। সমাজের প্রত্যেক মানুষ যেদিন একে অপরের প্রতি নুন্যতম সন্মান প্রদর্শন করতে শিখবে, সেদিন সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে, অন্যথায় আমরা যে মানুষ -- এই পরিচয়ে আগামী শতকে যে উপনীত হবো ..... সে লজ্জা রাখি কোথায়!!

বর্তমান শতকের ভাবনা কেমন হবে সে বিষয়ে ভাবতে গেলে আমাদের অবশ্যই বলতে হয় .... তা হবে সদর্থক। চিন্তায় থাকবে বাস্তবমুখী সচ্ছতা। থাকবে নতনত্ব; বিগতর তুলনায় অভিনবত্ব।কারণ নতুনত্ব অভিনবত্ব মানুষের কাছে চিরকালীন গ্রহনযোগ্য। ভবিষ্যতের ভাবনার একমাত্র লক্ষ্য হবে - জ্বলন্ত প্রদীপের তলায় জমাটবাঁধা অন্ধকারকে আলোতে উত্ঘাটিত করা। তা যত নগ্ন ভয়ঙ্কর হোক না কেন; তাকে সত্য হিসাবে প্রকাশ করতেই হবে। সেখানে থাকবেনা কোনো দ্বিচারিতা। ভবিষ্যতের ভাবনার ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে মানবসভ্যতার অগ্রগতির হিসাব-নিকাশ করা প্রয়োজন। অগ্রগতির গাণিতিক সমীকরণে যার নিটফল কেবলমাত্র শূন্য। প্রযুক্তির কাঁধে চেপে আরাম স্বাচ্ছন্দের সকল উপাদান আমাদের করায়ত্ব হলেও প্রকৃতির খামখেয়ালিপনার কাছে আমাদের গর্বের প্রযুক্তি শুধু শিশুই নয়; তা ছেলেখেলার বস্তুও বটে। ........
তাই বিশ শতকের ভয়ঙ্করতম ঝড়ে উড়িষ্যায় বিশ হাজার মানুষ নিমেষেই মারা যায় কিংবা সুমাত্রার প্রলয়ঙ্কর ভূকম্প  সুনামীর জেরে সারা বিশ্ব জুড়ে লক্ষ্য লক্ষ্য তাজা প্রাণ পলকেই নিষ্পেষিত হয় অথবা এই একুশ শতকে অতি সাম্প্রতিক ভয়ঙ্কর স্যান্ডির দাপটে যখন  দেখি আমেরিকার মত উন্নত প্রযুক্তির মহাদেশ যখন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হোয়ে পড়ে, তখন আর ভাববার অবকাশ কোথায়! আমরা প্রাকৃতিক ঝড় - ঝঞ্জা, ভূকম্প-অগ্নুতপাত, ক্ষরা-বন্যা প্রভৃতির পূর্বাভাস নির্ণয় কিংবা ক্ষয় -ক্ষতির পরিমাপ করতে পারি মাত্র; তা প্রতিরোধ করতে পারি না। প্রকৃতির কাছে আমাদের গর্বের প্রযুক্তির অন্তসার্শুন্যতাতর অসহায় আত্ম সমর্পণ গাণিতিক সমীকরণের সত্যতাকে প্রমাণ করে। এই নতুন শতকের ভাবনায় থাক এই ত্রুটিপুর্ণতার প্রতিশ্রুতি

আমরা পরমানুর আত্মঘাতী ব্যবহারে মুহুর্তেই ধ্বংশ 'রে দিতে পারি এই সাধের পৃথিবী; কিন্তু পারিনা নতুন কোনো সজীব পৃথিবীর জন্ম দিতে।চোখের পলকে আমরা শতকোটি জীবের প্রাণ নিতে পারি কিন্তু পারিনা সেই প্রান্গুলিকে ফিরত দিতে।--- এটা আমাদের অহমিকা না লজ্জা! চিকিত্সা বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতি সত্ত্বেও আজও 'থ্যালাসেমিয়া,এইডস, ক্যান্সার' প্রভৃতি মারণ ব্যাধির নির্মুলকরণে কোনো যথার্থ প্রতিষেধক আবিস্কারে আমাদের বিজ্ঞান অক্ষম। ........ নতুন শতকের ভাবনায় রইলো এই 'অক্ষম'- এর স্বক্ষমতার প্রতিশ্রুতি

আজ পর্যন্ত মানব সভ্যতার সেরা আবিস্কার হলো - একটি গোল 'রিং' বা চাকার আবিস্কার যার উপর  গড় গড় কোরে গড়িয়ে চলেছে মানব সভ্যতার অগ্রগতি।মানুষের যা কিছু আবিস্কার তার সব কিছুর মূলে আছে এই চাকা --- এগিয়ে চলার প্রতিক। এই এগিয়ে চলার গতিকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করাই হবে বর্তমান নতুন বা পরবর্তী শতকের প্রধান কর্মসূচী
এই একবিংশ শতকের প্রারম্ভে নতুন ভাবনায় আঙ্গিকেউন্নয়নমুখী কল্যানমূলক এক ভিন্ন সমাজ আমদের গড়তে  হবে। যে সমাজ হবে কল্পনা বাস্তবের এক অপূর্ব স্ব্মন্বয়্সাধন। এই সমাজ-ব্যবস্থা হবে --- ধুলিধুসরহীন অমলিন; ধর্মবিভিশিকার তান্ডবে তা হবেনা কলঙ্কিত; সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্পে হবেনা ধূমায়িতপারস্পরিক হানাহানি যুদ্ধের উন্মাদনায় হবেনা নেশাগ্রস্ত; রাজনৈতিক উগ্রতায় হবেনা রক্তাক্ত বেকারত্বের চাপে হবেনা নিষ্পেষিত এবং দারিদ্রের গ্লানিময় হবেনা নির্যাতিত।এই সমাজ হবে বিগত শতকের ভুলের প্রায়শ্চিত্ত--- দুর্নীতিমুক্ত এক ঝলমলে বাস্তব। আপনি ভাবছেন এক অবাস্তব ভাবনা; কিন্তু আমি বলব চরম সত্য বাস্তব। 

বিশ্বের সর্বত্র মানবসমাজের মধ্যে দু'টি শ্রেণী পরিলক্ষিত হয়। এক শ্রেণী মানুষের হাতে অর্থের প্রাচুর্য্য অন্তহীন ইঁদুর প্রতিযোগিতার মাতামাতি; অন্য শ্রেণী হলো নিরন্ন,অর্থহীন,দারিদ্রক্লিষ্ট অবসাদগ্রস্থ মানুষের অবস্থিতি। এই দুই শ্রেনিভেদের সমন্বয় সাধন সরলীকরণ করতে পারলেই সমাজে আমূল পরিবর্তন ঘটবে। এবং তা সম্ভব। তার জন্য চাই ভূমি সংস্কারের মত সমাজের সর্বস্তরের মানসিকতার সার্বিক পরিবর্তন সংস্কার; তাহলেই এই শতাব্দী হবে বর্ণময়। উঁচু-নিচুর ভেদাভেদ ঘুচিয়ে এই উভয় শ্রেণীকে বিজ্ঞানভিত্তিক ভাবে মধ্যবর্তিস্তরের এক সরলরেখায় কোনো একটি বিন্দুতে আনয়ন এবং 'সাদা  কালো' অর্থের সমানাধিকরণ করতে পারলেই এই নতুন শতকে ঘোটে যাবে বিশ্বের বৃহত্তম বৈপ্লবিক পরিবর্তন। যার উজ্জ্বলতার কাছে লজ্জায় মুখ ঢাকবে সূর্যের উজ্জ্বলতাও নতুন শতকে মানব সভ্যতার উন্নয়নে ঘটবে এক মহামানবিক বিষ্ফোরণ যার তীব্রতার কাছে পারমানবিক বিষ্ফোরণও  অতি তুচ্ছ। ...... নতুন শতক সহস্রাব্দের ভাবনায় রইলো বর্তমান ঘুন-ধরা সমাজের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের এই স্বপ্নিল প্রতিশ্রুতি।।

......... রাজীব মন্ডল (বেপরোয়া)
ডি .  কে . নগর। : ২৪ পরগনা
ফোন-  ৯৩৩৩৫৬৩৯০৫
ইমেল- rrr_mondal@yahoo.com
ব্লগ- beparoyaliterature.com    


দুঃসময়ের  কাব্য (The Poetry of On-time)     

          

 
















Tuesday, 4 September 2012

PRAY FOR VERDICT ... হুজুর বিচার চাই ...

সংরক্ষণ- এর নামে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ (সাধারণ শ্রেণী, General Category) আজ অবহেলিত, উপেক্ষিত ও সরকারের বঞ্চনার স্বীকার। ভোটের নামে শুধু সংখা-লঘু তোষণ চলছে। শুধু কোটার রাজনীতির জন্য মার খাচ্ছে প্রকৃত বুদ্ধি, মেধা ও সৃজনশীলতা। .......... বন্ধ হোক এই তামাসা।  আমূল পরিবর্তন চাই।

সরকারি চাকুরী ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কম মেধা সম্পন্ন ছাত্র (obtaining 40% - 50% marks) শুধু মাত্র  'SC/ST/OBC'  হওয়ার জন্য সরকারী নিয়োগপত্র পাছে সেখানে তাদের থেকে হাজারগুন বেশি যোগ্যতা ও মেধা -সম্পন্ন ব্যক্তি (obtaining 80% - 90% marks)  শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সরকারী নিয়োগপত্র  নাপেয়ে চরম  অবহেলিত, উপেক্ষিত ও বঞ্চনার স্বীকার হচ্ছে এবং মৃত্যুকে বরণ  করতে বাধ্য হচ্ছে। ............. 

 এ কোন সমাজ ব্যবস্থার মধ্যে আছি আমরা! এ অরাজগতা আর কত দিন চলবে? দেশটা দিনে দিনে ধংশের দিকে এগিয়ে  যাচ্ছে।  মেধার থেকে অমেধাবী তে দেশটা ভরে যাচ্ছে ও কম মেধা নিয়ে SC/ST তকমা নিয়ে বড়লোক হওয়া সত্তেও এক শ্রেনীর লোক সংরক্ষণ- এর   সুভিদা পেয়ে দেশটা লুটে পুটে খাচ্ছে আর অন্য দিকে মেধাবীরা অনাহারে মরচে .... ফলে কোনো সামগ্রিক চিন্তার বিকাশ নাই।  ........... সবাই প্রতিবাদে গর্জে উঠুন; অবক্ষয়ের হাত থেকে দেশটাকে বাঁচান ....... 


 

Saturday, 1 September 2012

ভাবো .... এসো বদলাই


It is better to beg on pavement (Footpath) rather taking bribe / dowry / youtuk from the father of bride for marriage purpose. And it is seen less in Bengali than rest of other Indians. So we proud as Bengali & hate other Indians who committed this wrong doing and unethical, unfair deeds in the society and make compel the brides to commit suicide being victim of this system as often shown in various states viz. Bihar, Jharkhond, UP, MP, Rajasthan, Gujrat, Moharastha etc. of the Country, India.






বাংলার বাইরে ভারতের প্রায় সব রাজ্যে কন্যাদায় গ্রস্থ পিতার কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ছেলের পক্ষ বর-পন হিসাবে নেয় যা ভয়ঙ্কর সামাজিক অপরাধ ও মানবিক লজ্জা। বাল্য-বিবাহ ও সমান অপরাধ।




                ভাবো .... এসো বদলাই
ভাবার যদি থাকে কিছু ভাবো তবে এখন।
অনেক কিছু ঘোটে গেল ভাববে আর কখন!
দেশটা যে বারো জনে লুটে-পুতে খাছে .....
তুমি, আমি - আমরা সবাই।
গণতন্ত্রে মানুষের থেকে ছাগল দামী,
মনুস্বত্তের থেকে সংখ্যার দাম বেশি।
শুধু উত্পাদন করো আর ভোট বাড়াও;
কেবল ধান্দাবাজের রাজনীতি আর গদি বাঁচাও।
শাসক এখানে শাসনের নামে শোসন করে ,
'ভোট' নামক মহাযোগ্নের যাদুমন্ত্রে ....
এখানে একট মুর্খ ও মসনদে বসে;
নেতা হতে গেলে কোনো বিদ্যে-বুদ্ধি লাগেনা,
নেতার কোনো যোগ্যতা মাপক মানদন্ডও থাকেনা।
ভাবার সময় এসেছে বন্ধু; মুর্খের রাজত্বে 
দেশটা এগোছে - না পিচছে !
কিন্তু ভাববে কে ..... আর ভাববে  কে? 

........ বেপরোয়া 


শিশু দিবসের প্রাক কালে


আজ শিশু দিবসে কি বা এসে এসে যায় তাদের-
যে শিশু ভুমিষ্ট হয়ে মারা যায় রাতের অন্ধকারে
যে শিশু খিদের জালায় কাঁদে মায়ের কোলে
যে দেশে বৃহদাংশ শিশু অপুষ্টিতে ভোগে,
সংসারের প্রয়োজনে কাগজের বস্তা কাঁধে তোলে।
সারা দিন  চায়ের দোকানে হাড় -ভাঙা কাজ করে
ক্লান্ত দেহে টলমল পায়ে সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে
তার পেট ভরা খাবার  না জোটে ;
বর্ণ পরিচয় হাতে ভারতের ভবিষ্যত কাঁদে।
নেতা-মন্ত্রীদের কিবা এসে যায় তাতে !
কারণ কোনো ভোট নেই যে শিশুদের হাতে!
 ....... বেপরোয়া (রাজীব) 




সমাজে শান্তি শৃঙ্খলার উন্নতি সাধন করতে গেলে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গুলি গ্রহণ করা একান্ত জরুরি :-
১। পুলিশকে কোনো রাজনৈতিক ছত্র-ছায়ায় থাকা চলবেনা & স্বতন্ত্র ভাবে কাজ করতে দিতে হবে।
২। কোনো থানা কোনো অভিযোগকারীর অভিযোগ গ্রহণ না-করলে সংস্লিষ্ট পুলিশ অফ্ফিসেরকে তত্ক্ষনাত  বরখাস্ত করতে হবে।
৩। কোনো পুলিশ অফিসার ঘুস নিয়ে তদেন্তে অবহেলা করছে প্রমানিত হলে, তার কাজ থেকে বরখাস্ত ও তিন বছরের জন্য হাজতবাস করতে হবে।
৪। ধর্ষনকারীর শাস্তি হোক একমাত্র তার লিঙ্গ ছেদন & সর্বোচ্ছ এক সপ্তাহের তদন্ত সাপেক্ষে; থাহলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা ৮০% কমে যাবে। ...... আপনাদের মতামত জানান।



 ছোট গল্পের সজ্ঞা :-
 'ছোট প্রাণ  ছোট  কথা-            
ছোট ছোট দুঃখ-ব্যাথা    
নিতান্তই সহজ সরল।
সহস্র বিস্মৃতি রাশি;
প্রত্যহ যেতছে ভাসি-
তারই  দু-চারিটি অশ্রুজল।
নাহি বর্ণনার ছটা;
নাহি ঘটনার ঘনঘটা-
নাহি তত্ব, নাহি উপদেশ।
অন্তরে অতৃপ্তি রবে
সাঙ্গ করি মনে হবে -
শেষ হয়েও হইলোনা শেষ।।'
             ........ বেপরোয়া (রাজীব) 




ব্যতিক্রমী
কি মজা! আমি মন্ত্রী হবো।
- সে কি! কে বললো ?
- কেন, কত সব রং বেরংরের দোল এসে বলে গেল;
নেতা হতে গেলে নাকি কিছু লাগে না,
শুধু টাকা-পয়সা থাকলেই হলো- বিদ্যে বুদ্ধি কিছুই না।
কম করে দশ-বারোটা ক্ষুন করে হাত পাকিয়েছে যে,
গণতন্ত্রের জাদুমন্ত্রে আজ সে মন্ত্রী হয়ে আছে বহাল তবিয়তে।
কোথায় যেন কার স্ত্রী গোয়ালা মূর্খ শুনি-
সে নাকি আজ ভোটে জিতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী,
স্বাক্ষর করতে গেলে যার ভাঙে গন্ডা কয়েক লেখনী !
তবে আমি কেন স্বাক্ষর হয়ে এর কিছুই পাবনি ?
.... আরে দুর বোকা; সে তো ব্যতিক্রমী।।

........ বেপরোয়া (রাজীব)
                                     




Monday, 27 August 2012

একটি ভিন্ন ভাবনা ..... 'আতঙ্ক '

আমরা এখন ভয়ঙ্কর দুঃসময়ের মধ্য দিয়ে যাছি . চারিদিকে অরাজগতা. ......... 
আসুন কিছু করে দেখাই ; সমাজটাকে বদলাই ..... জঞ্জাল মুক্ত করে মানুষের বাসযোগ্য করে তুলি।

কোনো  ভুয়ো অপরাধী প্রাকিত বিচারের আশায় জেলের মধ্যে তার আজীবন কাটিয়ে ফেলল ; তবু সে সুবিচার পেলনা 
আবার প্রকাশ্যে খুন ও ধর্ষণ করে একমাসের মধ্যে জেল থেকে বেরিয়ে গেল ..... ... এ কোন বিচার ব্যবস্থা ? 
সমাজে অপরাধ- প্রবনতা রুখতে কতগুলি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করি . 
১. এক মাসের মধ্যে বিচার ব্যবস্থা শেষ করতে হবে . জেলের মধ্যে বেশিদিন বিনাবিচারে অপরাধীকে রাখা যাবেনা। ইতে অর্থনৈতিক অপচয় বৃধি পায় .
২.  ধর্ষণ করে হাতে নাতে ধরা পড়লে সাতদিনের মধ্যে তদন্ত সাপেক্ষে, ধর্ষনকারীর লিঙ্গ কেটে নেওয়া হোক। ফলে কোনো ব্যাকতে ধর্ষণ করার আগে অন্তত দুবার সে ভাববে.
৩. লোক ঠকিয়ে কোনো দোকানি ওজনে জিনিষ কম দিলে তার লাইসেন্স ও দোকানের সমস্ত মাল  সাতদিনের মধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হোক 

৪. কেউ অনাহারে মারা গেলে; এক মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে সেখানকার জনপ্রতিনিধিকে সাসপেন্ড করা হোক এবং মৃতের পরিবারকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেয়া হোক।

........... আপনাদের সুচিন্তিত মতামত একান্ত কাম্য 
বিনীত                                             
বেপরোয়া (রাজীব মণ্ডল )


আমার একটি একাঙ্ক নাটক এখানে পোস্ট করলাম. আপনাদের ভালো লাগলে আমার পরিশ্রম স্বার্থক হবে।


 


 




Saturday, 25 August 2012

দুঃসময়ের কাব্য (The Poetry of On-time)



The Indifferent Literature & Creative Management

বেপরোয়ার 'দুঃসময়ের কাব্য' -এক নবীন কবির অসামান্য প্রয়াস; বাসতব সমাজের এক জ্বলন্ত দলিল . পড়ুন এবং পড়ান ও সুচিন্তিত মতামত পাঠান . আপনাদের ভালো লাগলে কবির পরিশ্রম স্বার্থক হবে। নিচে বইয়ের প্রছদ ও গুটি কয়েক কবিতার নমুনা পোস্ট করলাম. সম্পূর্ণ বাংলা বই এবং এর ইংরাজী ভার্শন, আকাঙ্ক নাটক ও সমালোচনা মূলক গ্রন্থ ক্রমশ প্রকাশিত হতে থাকবে।  সমস্ত  সাহিত্ত - মোদী পাঠক ও ম্যানেজমেন্ট- ছাত্রসকল মতামত পাঠালে নিজেকে ধন্য মনে করব।
 .............. নমস্কারান্তে ,

রাজীব মণ্ডল (বেপরোয়া )


















 














 দাদুর ছাতা 
দাদু আমার বড্ড ভালো 
গায়ের রঙ বেজায় কালো।
দাদুর ছাতা পোকায় কাটা 
সুন্দর সে এক নকশা কাটা;
কিনেছিলো বারো টাকায় 
দাদু তখন ছিল ঢাকায়।
সত্যি কথা বলি ভাই -
দাদুর মত কিপ্টে নাই। 
ছেঁড়া ছাতা মাথায় নিয়ে 
দাদু একলা চলে রাস্তা দিয়ে।
গ্রীষ্মে ছাতা থেকে রোধ গলে;
বর্ষায় দাদুর টাকে জল পড়ে। 
সব ছেড়ে ছুড়ে দাদু হঠাত গেল চলে 
স্মৃতির মত ছাতাটি শুধু রইলো পড়ে।
                  ..... বেপরোয়া (রাজীব মন্ডল), দুঃসময়ের কাব্য।
 










    ভাবো .... এসো বদলাই
ভাবার যদি থাকে কিছু ভাবো তবে এখন
অনেক কিছু ঘোটে গেল ভাববে আর কখন!
দেশটা যে বারো জনে লুটে-পুতে খাছে .....
তুমি, আমি - আমরা সবাই
গণতন্ত্রে মানুষের থেকে ছাগল দামী,
মনুস্বত্তের থেকে সংখ্যার দাম বেশি
শুধু উত্পাদন করো আর ভোট বাড়াও;
কেবল ধান্দাবাজের রাজনীতি আর গদি বাঁচাও
শাসক এখানে শাসনের নামে শোসন করে ,
'ভোট' নামক মহাযোগ্নের যাদুমন্ত্রে ....
এখানে একট মুর্খ মসনদে বসে;
নেতা হতে গেলে কোনো বিদ্যে-বুদ্ধি লাগেনা,
নেতার কোনো যোগ্যতা মাপক মানদন্ডও থাকেনা
ভাবার সময় এসেছে বন্ধু; মুর্খের রাজত্বে
দেশটা এগোছে - না পিচছে !
কিন্তু ভাববে কে ..... আর ভাববে  কে

........ বেপরোয়া 





ব্যতিক্রমী
কি মজা! আমি মন্ত্রী হবো।
- সে কি! কে বললো ?
- কেন, কত সব রং বেরংরের দোল এসে বলে গেল;
নেতা হতে গেলে নাকি কিছু লাগে না,
শুধু টাকা-পয়সা থাকলেই হলো- বিদ্যে বুদ্ধি কিছুই না।
কম করে দশ-বারোটা ক্ষুন করে হাত পাকিয়েছে যে,
গণতন্ত্রের জাদুমন্ত্রে আজ সে মন্ত্রী হয়ে আছে বহাল তবিয়তে।
কোথায় যেন কার স্ত্রী গোয়ালা মূর্খ শুনি-
সে নাকি আজ ভোটে জিতে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী,
স্বাক্ষর করতে গেলে যার ভাঙে গন্ডা কয়েক লেখনী !
তবে আমি কেন স্বাক্ষর হয়ে এর কিছুই পাবনি ?
.... আরে দুর বোকা; সে তো ব্যতিক্রমী।।

........ বেপরোয়া (রাজীব)
              

















 







              স্ফুলিঙ্গ 

নারী হওয়া কি আমার অপরাধ?
তাহলে পুরুষ হয়ে তুমিও সমান অপরাধী।
আমার বুকের 'পরে চলে তোমার নিত্য দাপাদাপি,
রাতের পর রাত জেগে তোমাদের দিয়েছি তৃপ্তি;
তবুও আমাদের কখনই যোগ্য সম্মান দাওনি।
কিন্তু কেন ? কিসে তোমাদের এত অহংকার!
এবার ছিনিয়ে নেব; বুঝে নেব নারীত্বের অধিকার।
পুরুষ শাষিত এ সমাজ আমি ভাংবো।
সময় হয়েছে; নির্মম কষাঘাতে এবার তোমাদের জাগব।
রাতে মধুচক্রে  হানা দিয়ে মধু করলে পান -
আর দিনেমানে'  ভালো মানুষ সেজে তোমরা কর ভান।
তোমাদের ভালো মানুষের মুখোশ খুলে সবাইকে দেখাবো -
রাতের বর্বরোচিত তোমার ভয়ঙ্কর নগ্ন রূপ।
ভোগের শেষে তোমাদের কাছে আমরা হলাম আবর্জনার স্তুপ।
তোমরা কি ভাব নারী শুধু ক্ষনিকের পোড়া ধূপ ?









ছোট গল্পের সজ্ঞা :-
 'ছোট প্রাণ  ছোট  কথা-            
ছোট ছোট দুঃখ-ব্যাথা    
নিতান্তই সহজ সরল।
সহস্র বিস্মৃতি রাশি;
প্রত্যহ যেতছে ভাসি-
তারই  দু-চারিটি অশ্রুজল।
নাহি বর্ণনার ছটা;
নাহি ঘটনার ঘনঘটা-
নাহি তত্ব, নাহি উপদেশ।
অন্তরে অতৃপ্তি রবে
সাঙ্গ করি মনে হবে -
শেষ হয়েও হইলোনা শেষ।।'
             ........ বেপরোয়া (রাজীব) 







মরার আগে পর্যন্ত তোমাদেরকে আমি ভাবাব; এ পৃথিবীকে জঞ্জাল মুক্ত করবো - এ আমার অঙ্গীকার।