অপ্রিয় সত্য ভাষণ -
............ না বলাই ??
ভারতের লজ্জা ( The Indian National Shame)
ভারতের লজ্জা ( The Indian National Shame)
হ্যা লজ্জিত। ভারতীয় নাগরিক হিসাবে বড়ই লজ্জিত। আপনি যদি নিজেকে একজন সৎ,
সচেতন ও কর্ম-নিষ্ঠাবান বোলে নিজেকে মনে করেন তাহলে ভারতে বসবাস করার দরুন
বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতিতে আপনারা লজ্জা পেতেই পারেন। আমি তো লজ্জিত এবং
আতঙ্কিত ও বটে। বরং বাঙালী হিসাবে তুলনামূলকভাবে কিঞ্চিত গর্বিত। যদিও
গর্বের ফানুষ অনেক আগেই ফেটে গেছে। .......
তবে মরার আগে পর্যন্ত তোমাদেরকে আমি ভাবাব; এ পৃথিবীকে জঞ্জাল মুক্ত করবো - এ আমার অঙ্গীকার। একজন সচেতন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে ভারতমাতাকে লজ্জার হাত থেকে মুক্ত করতে; কিছু অপ্রিয় সত্য ভাষণ তোমাদের সামনে উত্থাপন করতে চলেছি। .....
অপ্রিয় সত্য ভাষণ না বলাই ভালো। ..... কিন্তু। ............
১। যে কথা যায়না ভোলা,......
দিল্লীর নির্ভয়া , বীরভূমের লাভপুর, পার্ক-স্ট্রিট, কাম্-দুনীর মত নারকীয় গণধর্ষণের ঘটনা এখনও দঘ্দঘে ঘায়ের মত স্মৃতিতে উজ্জল - যা কিছুতেই ভুলতে চাইলেও ভোলা যায়না। উপরুন্তু দিন-কয়েক আগে চলন্ত অমৃতসর এক্ষ্প্রেস এর ভারতের ৩ সেনা-জওয়ান মিলে এক সরসী নাবালিকে ৬ বার ধর্ষণ করলো। ভাবতে অবাক লাগে- যে সেনা-জওয়ানদের হাতে ভারত মায়ের সুরক্ষ্যার দ্বায়িত্ব; তারা কিনা ভারত মায়ের নাবালিকা কন্যাকে অসুরের ন্যায় ধর্ষণ করছে। সেক্ষেত্রে সেনারা দেশকে কি রক্ষ্যা করবে?
বলা বাহুল্য যে সবচেয়ে বড় ধর্ষক ও অপরাধী তো এ-দেশের তথাকথিত নেতা-নেত্রী, প্রশাষক -মন্ত্রী, বিচারক-ও আমদের জঘন্য বিচার-ব্যবস্থা। ......... তাই প্রতিদিনই ধর্ষণ বেড়ে চলেছে। যে দুধের শিশু ভালকরে কথা বলতে শেখেনি তাকেও মানুষ থুড়ি পশু ধর্ষণ করছে। আর রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও তথাকথিত নেতা নেত্রীরা ওই ঘটনায় গভীর নিন্দা প্রকাশ করে খান্ত হচ্ছে।
.... আরে ভাই শুধু নিন্দা করলেই কি ধর্ষণ কমবে, না ওই মহিলার / শিশুর জীবন ও সম্মান সুনিশ্চিত হবে?? ও সবে কিছু হবে না, ধর্ষিতা যদি আপনাদের বাড়ির মেয়ে হয় তাহলে আপনার পরিবারের রাগ ও যন্ত্রণা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ভেবে দেখুন। তাই ধর্ষককে জেলে দিয়ে কোনো সরকারী সময় ও অর্থের অপচয় নয়- তাত্ক্ষণিক বিচারে ছবিটির মত জনসমক্ষে সোজা তার লিঙ্গ ছেদন করা হোক।
---- সংসদে এমন আইন পাশ করার কোনো হিম্মত আছে কোনো নেতা-নেত্রী বা তথাকথ বুদ্ধিজীবির? ৫ বছরের শিশুর পাশবিক অত্যাচারে মানবার্ধিকার কমিসন কি ছিড়ছে? শাসনভার নিজ হাতে তুলে নাও, আর সব ব্যাটাকে চড়াও শুলে। তাই বড় যন্ত্রণা বুকে নিয়ে কবির কোথায় বলি-
"বন্ধুগো আর সহিতে পারিনা; বড় বিষ জালা এ বুকে
দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি; তাই যাহা আসে কই মুখে ..... "
কোন সব গান্ডু নেতা, মন্ত্রী ও বিচারকরা এই সব অর্থহীন বিল ও রায় পাশ করে যে - ধর্ষকের বয়ষ ১৬ হোলে; তাকে সাবালক হবে ??? আরে বাবা .....
..... ধর্ষক মাত্রই সাবালক ধরে নিতে হবে- সে ১৬ বছর বয়স হোক, কিংবা 15 বা 10 ব্ছর,. প্রশ্ন হলো- নবলক হলে সে ধর্ষক হবে কী করে? কারণ নাবালোকের ধর্ষণ করার মতো লিঙ্গ উঠতে পারেনা. সুতরাং ধর্ষক মাত্রই সাবালক এটাই বিবেছছ সে 8 কিংবা 10 বছর বা তার পরে হোক. শুধু তাই নয়; ধর্ষণ করে ঠান্ডা মাথায় প্রমান লোপাট করে আবার ধর্ষিতাকে ক্ষুন করছে- সেক্ষেত্রে বয়সের বিবেচনার কোনো প্রশ্নই নেই. ..... সাত দিনের তদন্তো- সাপেক্ষে তাকে হয় প্রকাশ্যে ফাঁসি নয় লিঙ্গ ছেদন কারা হোক. ..... জেলের মধ্যে দীর্ঘোদিন রেখে জনগণের টাকা নয়-ছয় করার অধিকার কারও নেই.
আর বলা বাহুল্য যে- আমাদের দেশে নেতা-মন্ত্রী ও বিচারকরাতো সব Piglet, Coward, backboneless, & worthless, কাপুরুষ ও অপদার্থের দল, না হলে সোলমন খান, রসিদ খানের মতো অপরাধিরা ও লক্ষ লক্ষ ধর্ষকরা বীণা বিচারে এরকম ভাবে দেশের বহাল তবিয়াতে ঘুরে বেড়ায়??? এ আমাদের ভারত বলেই সম্ভব. ---- জনহিতায়- বেপরোয়া .
২. সাম্প্রতিক প্রাসঙ্গিক বিষয় হলো-
বা: কী গরবের কথা ! আপনারা সবাই আবার মমতা-সরকারকে ভোট দিয়ে জয়ী করূন --- যাতে আপনার বাড়ির মেয়ে - মা-বোনেরা আরও বেশি কোরে ধর্ষিতা হয়ে দেশে আরও এগিয়ে যেতে পারে ও গ্রনেজ বুকে নাম তুলতে পারে. কারণ আপনারা তো সব বাংলার দ্বায়িত্বশীল নাগরিক !!! না হলে আপনারা বাংলা থেকে হার্মাড হটিয়ে একজন বদ্ধ উন্মাদের সরকারকে বসানো হয়!!!
আমার মতে ধর্ষণের শাস্তি একমাত্র নিম্নলিখিত ছবির মত হওয়া উচিত। আপনার কি মত ?
তবে মরার আগে পর্যন্ত তোমাদেরকে আমি ভাবাব; এ পৃথিবীকে জঞ্জাল মুক্ত করবো - এ আমার অঙ্গীকার। একজন সচেতন ভারতীয় নাগরিক হিসাবে ভারতমাতাকে লজ্জার হাত থেকে মুক্ত করতে; কিছু অপ্রিয় সত্য ভাষণ তোমাদের সামনে উত্থাপন করতে চলেছি। .....
১। যে কথা যায়না ভোলা,......
দিল্লীর নির্ভয়া , বীরভূমের লাভপুর, পার্ক-স্ট্রিট, কাম্-দুনীর মত নারকীয় গণধর্ষণের ঘটনা এখনও দঘ্দঘে ঘায়ের মত স্মৃতিতে উজ্জল - যা কিছুতেই ভুলতে চাইলেও ভোলা যায়না। উপরুন্তু দিন-কয়েক আগে চলন্ত অমৃতসর এক্ষ্প্রেস এর ভারতের ৩ সেনা-জওয়ান মিলে এক সরসী নাবালিকে ৬ বার ধর্ষণ করলো। ভাবতে অবাক লাগে- যে সেনা-জওয়ানদের হাতে ভারত মায়ের সুরক্ষ্যার দ্বায়িত্ব; তারা কিনা ভারত মায়ের নাবালিকা কন্যাকে অসুরের ন্যায় ধর্ষণ করছে। সেক্ষেত্রে সেনারা দেশকে কি রক্ষ্যা করবে?
বলা বাহুল্য যে সবচেয়ে বড় ধর্ষক ও অপরাধী তো এ-দেশের তথাকথিত নেতা-নেত্রী, প্রশাষক -মন্ত্রী, বিচারক-ও আমদের জঘন্য বিচার-ব্যবস্থা। ......... তাই প্রতিদিনই ধর্ষণ বেড়ে চলেছে। যে দুধের শিশু ভালকরে কথা বলতে শেখেনি তাকেও মানুষ থুড়ি পশু ধর্ষণ করছে। আর রাষ্ট্রপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও তথাকথিত নেতা নেত্রীরা ওই ঘটনায় গভীর নিন্দা প্রকাশ করে খান্ত হচ্ছে।
.... আরে ভাই শুধু নিন্দা করলেই কি ধর্ষণ কমবে, না ওই মহিলার / শিশুর জীবন ও সম্মান সুনিশ্চিত হবে?? ও সবে কিছু হবে না, ধর্ষিতা যদি আপনাদের বাড়ির মেয়ে হয় তাহলে আপনার পরিবারের রাগ ও যন্ত্রণা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে ভেবে দেখুন। তাই ধর্ষককে জেলে দিয়ে কোনো সরকারী সময় ও অর্থের অপচয় নয়- তাত্ক্ষণিক বিচারে ছবিটির মত জনসমক্ষে সোজা তার লিঙ্গ ছেদন করা হোক।
---- সংসদে এমন আইন পাশ করার কোনো হিম্মত আছে কোনো নেতা-নেত্রী বা তথাকথ বুদ্ধিজীবির? ৫ বছরের শিশুর পাশবিক অত্যাচারে মানবার্ধিকার কমিসন কি ছিড়ছে? শাসনভার নিজ হাতে তুলে নাও, আর সব ব্যাটাকে চড়াও শুলে। তাই বড় যন্ত্রণা বুকে নিয়ে কবির কোথায় বলি-
"বন্ধুগো আর সহিতে পারিনা; বড় বিষ জালা এ বুকে
দেখিয়া শুনিয়া খেপিয়া গিয়াছি; তাই যাহা আসে কই মুখে ..... "
কোন সব গান্ডু নেতা, মন্ত্রী ও বিচারকরা এই সব অর্থহীন বিল ও রায় পাশ করে যে - ধর্ষকের বয়ষ ১৬ হোলে; তাকে সাবালক হবে ??? আরে বাবা .....
..... ধর্ষক মাত্রই সাবালক ধরে নিতে হবে- সে ১৬ বছর বয়স হোক, কিংবা 15 বা 10 ব্ছর,. প্রশ্ন হলো- নবলক হলে সে ধর্ষক হবে কী করে? কারণ নাবালোকের ধর্ষণ করার মতো লিঙ্গ উঠতে পারেনা. সুতরাং ধর্ষক মাত্রই সাবালক এটাই বিবেছছ সে 8 কিংবা 10 বছর বা তার পরে হোক. শুধু তাই নয়; ধর্ষণ করে ঠান্ডা মাথায় প্রমান লোপাট করে আবার ধর্ষিতাকে ক্ষুন করছে- সেক্ষেত্রে বয়সের বিবেচনার কোনো প্রশ্নই নেই. ..... সাত দিনের তদন্তো- সাপেক্ষে তাকে হয় প্রকাশ্যে ফাঁসি নয় লিঙ্গ ছেদন কারা হোক. ..... জেলের মধ্যে দীর্ঘোদিন রেখে জনগণের টাকা নয়-ছয় করার অধিকার কারও নেই.
আর বলা বাহুল্য যে- আমাদের দেশে নেতা-মন্ত্রী ও বিচারকরাতো সব Piglet, Coward, backboneless, & worthless, কাপুরুষ ও অপদার্থের দল, না হলে সোলমন খান, রসিদ খানের মতো অপরাধিরা ও লক্ষ লক্ষ ধর্ষকরা বীণা বিচারে এরকম ভাবে দেশের বহাল তবিয়াতে ঘুরে বেড়ায়??? এ আমাদের ভারত বলেই সম্ভব. ---- জনহিতায়- বেপরোয়া .
২. সাম্প্রতিক প্রাসঙ্গিক বিষয় হলো-
বা: কী গরবের কথা ! আপনারা সবাই আবার মমতা-সরকারকে ভোট দিয়ে জয়ী করূন --- যাতে আপনার বাড়ির মেয়ে - মা-বোনেরা আরও বেশি কোরে ধর্ষিতা হয়ে দেশে আরও এগিয়ে যেতে পারে ও গ্রনেজ বুকে নাম তুলতে পারে. কারণ আপনারা তো সব বাংলার দ্বায়িত্বশীল নাগরিক !!! না হলে আপনারা বাংলা থেকে হার্মাড হটিয়ে একজন বদ্ধ উন্মাদের সরকারকে বসানো হয়!!!
আমার মতে ধর্ষণের শাস্তি একমাত্র নিম্নলিখিত ছবির মত হওয়া উচিত। আপনার কি মত ?
শেয়ার কোরে জনমত গঠন কর বন্ধু। ...... বেপরোয়া
----- এপ্রসঙ্গে আমার একটা কবিতা শেয়ার না করে পারছিনা।
শেয়ার কোরে জনমত গঠন কর বন্ধু। ...... বেপরোয়া
অতি সাম্প্রতিক এ দেশের অ-সহিষ্ণুতা প্রসঙ্গে কিছু কথা না বলে পারছি না। ....
দেশ হলো তোমার মা. যে মা তোমাকে প্রথম পৃথিবীর আলো দেখিয়েছে, যার রূপ- রস- গন্ধ- মাটি- জল- বায়ুতে তুমি বড়ো হয়েছো; যে তোমাকে সেই মায়ের পরিচয়ে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেছে; ..... সেই মোহন ভারত মায়ের সন্তান তুমি. আর কেউ যদি তোমার সেই মাকে গালি-গলাজ করে অপমান করে, তাকে বিবস্ত্রো করে জনসমক্ষে তাকে নাঙ্গা করে; তাহলে কী তুমি চুপ করে বসে সহ্য করবে?? .... কখনই না. মনে রেখো - যারা এ দেশের বসবাস করে অথচ অন্যও দেশের পতাকা হতে নিয়ে অমুক দেশ / তমুক দেশ জিন্দাবাদ ও ভারত মুর্দবাদ বলে - তারা তোমার, দেশের ও ভারত মায়ের শত্রু; তারা তো পরাধীন ভারতে ইংরেজদের থেকেও বড়ো শত্রু. ..... এরা কোনো জাতের নয়; না হিন্দু, না মুসলিম, না খ্রিস্টান - এরা সবাই ভারতের শত্রু ..... তাদেরকে খতম কারো বন্ধু.
এই প্রকাশিত লেখা থেকে ইহা প্রমানিত যে, তথাকথিত বর্বর, অ-শিক্ষিত মুসলিম- সন্ত্রাসবাদীদের রাজ্যে এ ঘটনা সম্ভব। ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে ১৮ থেকে ২৩ বছরের সুন্দরী তরুনীদের হাতে পায়ে শৃঙ্খলিত কোরে; কালো বোরখা পরিয়ে আই. এস মুসলিম আতঙ্ক বাদীরা তাদেরকে অন্ধকার ঘরের মধ্যে বন্ধ কোরে রাখছে লাগাতার ধর্ষণ করবে বোলে। এই ভয়ঙ্কর অ-মানবিক, অ-ধর্মীয় কার্য কেবলমাত্র ওই সব মুসলিম আতঙ্ক-বাদিরাই করতে পারে। কারণ তাদের তো কোনো জন্মের কোনো ঠিকানা নেই; ... না আছে কোনো জাতের ইতিহাস। তারা বোঝেনা যে তাদেরকেও জন্ম দিয়েছে কোনো না মেয়ে। এরা তো কুকুরের নামান্তর; কেননা, একটি কুকুর জন্মের ২ বছর পর থেকে সে তার মা-কুকুরকেই সঙ্গম করতে থাকে। ... কারণ তখন আর ঐ কুকুরটির মনে থাকেনা যে তারা সম্পর্কে মা ও ছেলে।
আই. এস - সন্ত্রাসবাদী রাও একপ্রকার কুকুরের নামান্তর। .. এদের না আছে কোনো জাত, না আছে কোনো ধর্ম, এরা না মুসলমান - না হিন্দু, না বৌদ্ধ- না ক্রিস্টিয়ান, এরা বিশ্ব মানবতার শত্রু।
আর সবচেয়ে দুখের বিষয় যে- বিশ্বের অধিকাংশ জঙ্গি সংগঠন ও আই. এস - সন্ত্রাসবাদীরাই সব মুসলিম; যা মুসলমান ধর্মের ক্ষেত্রে সব চেয়ে বড় লজ্জার এবং বিশ্ব মানবতার, শিক্ষার ও সংস্কৃতির সব থেকে বড় শত্রু
আর সবচেয়ে দুখের বিষয় যে- বিশ্বের অধিকাংশ জঙ্গি সংগঠন ও আই. এস - সন্ত্রাসবাদীরাই সব মুসলিম; যা মুসলমান ধর্মের ক্ষেত্রে সব চেয়ে বড় লজ্জার এবং বিশ্ব মানবতার, শিক্ষার ও সংস্কৃতির সব থেকে বড় শত্রু। এদেরকে সমূলে বিনাশ করাই একান্ত শ্রেয়।
এই প্রেক্ষ্যাপটে বিশ্বের সমস্ত প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী ও বিজ্ঞানী দের প্রতি আমার আবেদন যে, তারা যেন এমন এক সিমুলেশন বম আবিস্কার করে; যে- বিশ্বের যেখানে যত জঙ্গী সংগঠন ও আই. এস - সন্ত্রাসবাদী, তথাকথিত বর্বর, আতঙ্ক বাদী যারা বিশ্ব মানবতার, শিক্ষার, সংস্কৃতির ও প্রগতির সব থেকে বড় শত্রু; তাদেরকে এই বম চিহ্নিত কোরে ধ্বংশ করবে ও এই বিশ্বে এক সন্ত্রাসহীন, আতংক হীন এবং দুর্নীতি-মুক্ত এক সুনির্মল সমাজ গড়ে উঠবে। ইতি
......... তোমাদের বেপরোয়া
The given topic as per the above link published in Anandabazar, proves that it is only possible to the world of IS-Terrorist- so called Muslim. in the picture as we see that all the women wearing 'Black-Borkha' bound with chain like animals to be thrown in the dark room for continuous rape by that Muslim IS Terrorist. Its a tremendous, horrible, in humanitarian deed of the world. Needless to say that most of all the terrorist are Muslim, uneducated, brute and would never been considered as the religion of humanitarian. All the well wisher scientists should invent such cluster type of bombs that strongly may abolish all those Terrorists identifying with its sensor; - whoever he is Muslim, Kristian, Yehudi etc. because all those terrorist- rapists are the enemy of mankind & human civilization of world.
নবজাতক
The New Born (Hope of Future)
হারুবাবুর ছেলে
হোল
- জমজ
দুটি
ছেলে,
খুশির
জোয়ার
এল
আশা
মায়ের
কলে।
সব
দু:ক্ষ ভুলে পরোমানন্দে মাতলো
সবে
হারুবাবুর গৃহ
আজ
মুখরিত
মহাকলরবে।
ছেলে-বুড়ো মিললো সবাই; পাড়ার
প্রতিবেশী,
জ্ঞান্টি -গুষ্টি
সবাই
এল;
এল
পিসি-মাসী
শাঁক
বাজল,
উলু
দিল,
বাজল
হরেক
বাঁশী।
রাত্রি
শেষে
ভোর
হল,
নতুন
সূর্য
দিল
প্রভাত-
একদিন
যায়,
দুদিন
যায়,
পার
হয়
ছ
-মাস
-
আয়োজনের ত্রুটি
নাই,
খোকাদের আজ
মুখেভাত।
বাজল
সানাই,
বাজলো
ঢাকের
বাদ্দি,
জুটল
যত
গ্জ্ঞানী- গুনী,
এলেন
ডাক্তার বদ্দি।
আজকে
তাদের
মুখে
ভাত;
হবে
যে
নাম
করণ
-
কূল
- পুরুত
তাই
এলেন
দিতে
আশীষ
বচন।
...
তোমাদের এই
ছেলে
দুটো
হবে
যে
অনেক
বড়
-
একডাকে
চিনবে
লোকে,হবে দেশ জড়ো।
হেলে
দুলে
আসেন
দাদু,
করেন
বচন
দান
-
কুলের
মুখ
রেখো
তোমরা;
রেখো
দেশের
মান।
- কোথায় ছিলেন
নমি
মাসি;
এলেন
ছুটে
মুখে
হাসি-
গতরাতে
তিনি
নাকি
পেয়েছেন আভাষ
-
একটা
পাবে
গান্ধীর স্বভাব,
অন্যটা
সুভাষ।
এলেন
পরে
চশমা
চোখে
গম্ভীর
মুখে
মুখো
মামাবাবু ;
বিশটি
বছর
ছাত্র
পড়িয়ে
হয়েছেন
তিনি
কাবু,
বলেন
তিনি-
বুঝতে
আমার
হয়নিকো
ভুল-
একটা
হবে
রবীন্দ্রনাথ; অন্যটি
ভিমরুল-
থুড়ি;
নজরুল।
এলেন
পরে
জ্যাঠামনি, শিল্প-কর্মে নিপুন,-
হঠাত
কেশে
বিষম
খেয়ে
বলেন
তিনি
-
কেমন
যেন
বলছে
মন-
একটা
হবে
বছন;
অপরটি
মিঠুন।
এবার
এলেন
বিদ্যে
বোঝাই
মেসোমশাই
সে-
যে
অধ্যাপক মস্তবড়
জ্ঞানী। ...
ধান
দুর্বা
মাথায়
দিয়ে
করেন
তাদের
আশীষ
একটা
হোক
সত্যেন
বোস;
অন্যটি
জগদীশ।
এবার
এলেন
কাকুমনি,- ধম্মে-কর্মে মতি
অহিংসা
ধর্ম
তার
- মনটি
সদানন্দ
বলেন
শেষে
স্মিত
হেসে
- একটা
পাবে
কিছুটা
পরমহংস
আর
একটি
বিবেকানন্দ।
সকাল বেলার সূর্য এখন - সন্ধ্যাবেলায় অস্তমিত
একে
একে
যত
অশির্বাদক হয়েছে
সব
গত
!
গ্রীষ্মর পর
বর্ষা
আসে,
শীতের
পর
বসন্ত
দিনের
শেষে
জীবন
পাতে
প'ড়ে এসেছে বেলা;
কালের
পর
কাল
গিয়েছে;
সঙ্গ
হলো
খেলা
ঈশান
কোনে
বিষান
বাজে;
আকাশ
করে
গুরু-গুড়
দুর্নীতির আজ
প্রলয়
নাচন
ক্ষুন-খারাবি হল শুরু।
ছেলে
তাদের
বড়
হল
, রাখল
দেশের
মান
ছেলে
দুটো
বড়
হল
, রাখল
দেশে
ও
কূলের
মান-
একটা
হল
বখাটে,
চিটিংবাজ - চন্দ্র-স্বামী,
আর
একটি
গুন্ডা
রসিদ
খান।
-
বেপরোয়া
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন